জ্ঞানচর্চার পরিমন্ডলে স্বীয় ঐতিহ্য, গৌরব ও মহিমায় উদ্ভাসিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম- গহিরা এ.জে.ওয়াই.এম.এস বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। বর্তমান চ্যালেঞ্জের যুগে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে দেশ গড়ার যথোপযুক্ত কর্মী তৈরীতে বিদ্যালয়টি যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে অবদান রেখে চলেছে। যে শিক্ষা শুধু জীবিকা ধারণে সহায়তা করে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা বলা যায় না, সেটি জীবন ধারণের নৈপূণ্যতা মাত্র। মূলতঃ নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশে মানুষের যে ক্রমবিবর্তন সেটিই প্রকৃত শিক্ষার বহিঃপ্রকাশ। বর্তমান প্রতিযোগিতা মূলক বিশ্বায়নের এই যুগে শুধুমাত্র সার্টিফিকেট ও মুখস্থ সর্বস্ব লেখাপড়া প্রায় অচল। তাই লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীর সুকুমার বৃত্তিগুলো বের করে চর্চার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ বিকাশের ব্যবস্থা করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নৈতিক দায়িত্ব এবং এই ব্যাপারে বিদ্যালয়ের বর্তমান এস.এম.সি ও দক্ষ শিক্ষক মন্ডলী যথেষ্ট সচেষ্ট এবং আন্তরিক।
ছাত্র জীবন অত্যন্ত মূল্যবান এবঙ গুরুত্বপূর্ণ। একজন ছাত্র হল একজন সাধক এবঙ তার তপস্যা হল অধ্যায়ন। 'যতই পড়িবে ততই শিখিবে' এ মন্ত্রে দিক্ষীত হয়ে তাকে পাঠে ব্রতী হতে হবে। নিয়মিত বিদ্যালয় উপস্থিত তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার ্একটি উল্লেখ যোগ্য সোপান। ধারাবাহিক পাঠাভ্যাস চিন্তত ও সংবেদনশীলতা তাকে তীক্ষ্ম ও প্রখর মেধার অধিকারী হতে সাহায্য করে। যেহেতু মানুষ অফুরন্ত সম্ভাবনা নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে, সেহেতু নিঃসন্দেহে বলা যায় কঠোর পরিশ্রম ও সদিচ্ছায় যে কেউ মেধার বিকাশ ঘটাতে পারে। ছাত্র জীবনের সাফল্য কর্ম জীবনের অমূল্য পাথেয়। প্রত্যেক ছাত্রকে মহৎ জীবন গঠন করতে হবে।